রচনা : বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট - ১

সূচনা: 

পৃথিবী যত উন্নত হচ্ছে গ্রহ থেকে গ্রহান্তরের সংবাদও মানুষ তত দ্রুত পেয়ে যাচ্ছে। আর এই সংবাদ সংগ্রহে কাজ করছে বিভিন্ন কৃত্রিম উপগ্রহ। পৃথিবীর অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও মহাকাশে কৃত্রিম উপগ্রহ পাঠিয়েছে। আমাদের এই কৃত্রিম উপগ্রহটির নাম 'বঙ্গবন্ধু-১' স্যাটেলাইট। এর মাধ্যমে আমাদের জন্য টিভি চ্যানেল পরিচালনা থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংবাদ আদানপ্রদান আরও সহজ হবে।

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট কী: 

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট একটি কৃত্রিম উপগ্রহ। এটি মহাকাশে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করে নানা রকম কাজ করবে। ১১৯.১ ডিগ্রি ভূস্থির স্লটে স্থাপিত এই স্যাটেলাইটটি ১৬০০ মেগাহার্টজ ক্ষমতাসম্পন্ন মোট ৪০টি কু এবং সি-ব্যান্ড ট্রান্সপন্ডার বহন করছে । এর মেয়াদ হবে পনেরো বছর।

উৎক্ষেপণ: 

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট স্পেসএক্স ফ্যালকন ৯ রকেটে করে ২০১৮ সালের ১২ মে বাংলাদেশ সময় রাত ২টা ১৪ মিনিটে উৎক্ষেপণ করা হয়। ২০১৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর এটি উত্তোলনের তারিখ নির্ধারিত হলেও বিভিন্ন কারণে তা পিছিয়ে যায় এবং উক্ত দিনে উত্তোলিত হয়।

আরও পড়ুন :- বিজ্ঞানের অবদান - রচনা : Class 3, 4, 5

সুবিধা: 

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইট ব্যবহার করে নানা রকম সুবিধা লাভ করা যাবে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো-

১. টিভি চ্যানেলগুলোর কার্যক্রম সঠিকভাবে পরিচালনা করা।

২. কোনো দুর্যোগের সময় যোগাযোগ ব্যবস্থা চালু রাখা। 

৩. আবহাওয়ার পূর্বাভাস সঠিকভাবে পাওয়া।

৪. ফ্রিকোয়েন্সি ব্যবহার করে সব অঞ্চলে ইন্টারনেট সুবিধা দেওয়া ।

৫. চ্যানেলের সক্ষমতা বিক্রি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা ।

উপসংহার: 

বঙ্গবন্ধু-১ স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বাংলাদেশ এক নতুন যুগে প্রবেশ করেছে। এর মাধ্যমে মহাকাশের বুকেও বাংলাদেশ নিজেদের জায়গা করে নিয়েছে।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শিক্ষাগার ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url