পদার্থ বিজ্ঞান ব্যবহারিক যন্ত্রপাতি। কোনটি কি কাজে ব্যবহার হয়

1
অ্যানিরয়েড ব্যারোমিটার
ব্যবহার : বায়ু মণ্ডলের চাপ বৃদ্ধি ও হ্রাসের পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
2
অ্যামিটার
ব্যবহার : বৈদ্যুতিক বর্তনীর বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা সরাসরি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
3
উপস্থিতি নিক্তি
ব্যবহার : কঠিন ও তরল পদার্থের আপেক্ষিক গুরুত্ব নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
4
ক্যালরিমিটার
ব্যবহার : তাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
5
ক্লিনিক্যাল থার্মোমিটার
ব্যবহার : শরীরের তাপমাত্রা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
6
গ্যালভানোমিটার
ভিত্তি : বিদ্যুৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার উপর ভিত্তি করে তৈরি।
ব্যবহার : কোন পরিবাহীতে বিদ্যুৎ প্রবাহের অস্তিত্ব ও পরিমাণ পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
7
ট্রায়োড
ব্যবহার :  ট্রায়োড নিম্নলিখিত চারটি উদ্দেশ্যে ব্যবহৃত হয় :
(i) অ্যামপ্লিফায়ার (ii) অসিলেটর (iii) ডিটেকটর (iv) পরিবর্তক ঐ
8
ট্রান্সফরমার
ব্যবহার : এই যন্ত্রের সাহায্যে পরিবাহী প্রবাহের বিভবকে উচ্চ হইতে নিম্ন মান বা নিম্ন হইতে উচ্চমানে পরিবর্তন করা যায়।
9
ডায়নামো
ব্যবহার : যান্ত্রিক শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়।
10
ডায়োড
 ব্যবহার :  (i) একমুখী করণে ব্যবহৃত হয়, (ii) ডিটেকশনে ব্যবহৃত হয়।
11
থার্মোফ্লাস্ক
ব্যবহার : গরম জিনিস বহুক্ষণ গরম এবং ঠাণ্ডা জিনিস বহুক্ষণ ঠাণ্ডা রাখার জন্য ব্যবহৃত হয়।
12
দূরবীক্ষণ যন্ত্র
কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয় : বড় উন্মেষ এবং ফোকাস দূরত্বের লেন্স ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার : দূরের বস্তুকে ভালভাবে পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
13
নভো-দূরবীক্ষণ যন্ত্র
ব্যবহার :  চন্দ্র, সূর্য, গ্রহ, নক্ষত্র প্রভৃতি পর্যবেক্ষণের জন্য ব্যবহৃত হয়।
14
নির্জন কোষ বা ড্রাইসেল
ব্যবহার : ক্ষণস্থায়ী ভাল বিদ্যুৎ পাওয়া যায় বলে টর্চ লাইট রেডিও ইত্যাদিতে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য : এই কোষে, NH4Cl-এর পেস্ট বিদ্যুৎ উত্তেজক পদার্থ MnO2 এবং পোলারণ নিবারক হিসেবে ব্যবহৃত হয়।
16
পারমাণবিক চুল্লি
ব্যবহার : নিউক্লিয়াসের ক্রমিক বিভাজনের মাধ্যমে বিপুল পারমাণবিক শক্তি উৎপাদন করা যায়।
17
পেরিস্কোপ
ব্যবহার : খেলার মাঠে বহু লোকের উপর দিয়ে খেলা দেখতে পেরিস্কোপ ব্যবহৃত হয়।
18
ফ্যাদোমিটার
ব্যবহার : সমুদ্রের গভীরতা নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
19
বৈদ্যুতিক ঘন্টা
ভিত্তি : বিদ্যুৎ প্রবাহের চৌম্বক ক্রিয়ার উপর প্রতিষ্ঠিত।
ব্যবহার : এই যন্ত্রের সাহায্যে বিশেষ বৈদ্যুতিক শক্তিকে শব্দ শক্তিতে রূপান্তরিত করা যায়।
20
বৈদ্যুতিক মোটর
 ভিত্তি : চৌম্বক ক্ষেত্রে স্থাপিত কোন পরিবাহীর মধ্যদিয়া বিদ্যুৎ প্রবাহিত হইলে পরিবাহী ঘুরিতে থাকে। এই নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি।
21
ব্রামা প্রেস/পারোবাহী যন্ত্র/ হাইড্রোলিক প্রেস
ভিত্তি : প্যাসকেলের সূত্রের বল বৃদ্ধিকরণ নীতির উপর ভিত্তি করে ইহা তৈরি করা হয়।
ব্যবহার : (i) এই যন্ত্রে প্রচণ্ড বল উৎপন্ন করে পাট, তুলা কাপড় এবং কাগজের গাইট বাঁধা হয়। (ii) বই বাঁধা, তৈলবীজ হইতে তৈল আহরণ করার জন্য ব্যবহৃত হয়। (iii) লোহার বেলনকে পাতে রূপান্তর করতে ব্যবহৃত হয়।
22
ভোল্টমিটার
ব্যবহার : (i) বিদ্যুৎ প্রবাহমাত্রা নির্ণয়ে, (ii) বৈদ্যুতিক রাসায়নিক সমতুল নির্ণয়ে।
23
মিটার ব্রীজ
ব্যবহার : পরিবাহী তারের আপেক্ষিক রোধ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
24
যৌগিক অণুবীক্ষণ যন্ত্র
কোন ধরনের লেন্স ব্যবহৃত হয় : দুইটি উত্তল লেন্স ব্যবহৃত হয়।
ব্যবহার : তাপ ক্ষুদ্র বস্তুকে বহুগুণে বর্ধিত করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
25
লেকল্যান্স কোষ
ব্যবহার : সবিরাম বিদ্যুৎ প্রবাহের জন্যে ব্যবহৃত হয়।
উল্লেখ্য : এই কোষে দস্তার দণ্ড ঋণপাত, কার্বন দণ্ড ঋণপাত। NH4C1 বিদ্যুৎ উত্তেজক তরল, MnO2 পোলারন বা ছদন নিবারক।
26
সরল দোলক
ব্যবহার :  (i) অভিকর্ষীয় ত্বরণের মান নির্ণয়, (ii) পাহাড়ের উচ্চতা নির্ণয় ও (iii) সময় নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
27
সাইফন
ব্যবহার : পানি বা অন্য কোন তরল পদার্থকে না ঢালিয়া কিংবা নাড়াচাড়া না করিয়া উচ্চ স্থানে অবস্থিত কোন পাত্র হইতে নিজ স্থানে অবস্থিত কোন পাত্রে স্থানান্তরের জন্য ব্যবহৃত হয়।
28
সিসমোগ্রাফ
ব্যবহার : ভূমিকম্পের মাত্রা নির্ণয় করা হয়।
29
সুর শলাকা
ব্যবহার : শব্দ বিজ্ঞানের বিভিন্ন পরীক্ষায় সুর-শলাকা ব্যবহৃত হয়। ইহার একটি বৈশিষ্ট এটি একটি মাত্র কম্পাঙ্কবিশিষ্ট শব্দ সৃষ্টি করতে পারে।
30
সনোমিটার
ব্যবহার :  শব্দের কম্পাংক নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
31
স্কু-গজ
ব্যবহার : (i) খুব ছোট দৈর্ঘ্য (ii) তারের ব্যাস (iii) পাতলা পাতের পুরুত্ব অতি সূক্ষ্মভাবে মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।
 32
স্টপ ওয়াচ
ব্যবহার : পরীক্ষাগারে সময় নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
33
স্টেথোস্কোপ
ভিত্তি : এর সাহায্যে ডাক্তাগণ রোগীর হৃদস্পন্দনের শব্দ, শ্বাসপ্রশ্বাসের শব্দ শুনিয়া বুক পরীক্ষা করেন।
ব্যবহার : তাপ পরিমাপ করার জন্য ব্যবহৃত হয়।
34
স্পিডোমিটার
ব্যবহার : দ্রুতি পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
35
স্প্রিং নিক্তি
ব্যবহার : সরাসরি ওজন নির্ণয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়।
36
স্ফেরোমিটার
ব্যবহার : পাতলা পাতের পুরুত্ব পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়।
37
স্বর্ণপাত বিদ্যুৎবীক্ষণযন্ত্র
ব্যবহার : (i) চার্জের অস্তিত্ব নির্ণয় (ii) চার্জের প্রকৃতি নির্ণয় (iv) বিভিন্ন পদার্থের বিদ্যুৎ পরিবাহীতার তুলনা।
38
স্লাইড ক্যালিপার্স
ব্যবহার : (i) কোন জিনিসের দৈর্ঘ্য (ii) গুলোক বা সিলিন্ডারের ব্যাস (iii) ফাঁপা টিউবের ভেতরের বাহিরের ব্যাস মাপার জন্য ব্যবহৃত হয়।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শিক্ষাগার ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url