কম্পিউটার - রচনা ( ২০ পয়েন্ট )

উপস্থাপনা :- 

কম্পিউটার বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিষ্কার। কম্পিউটার বিশ্বকে বদলে দিয়েছে। কম্পিউটারের ফলে মানুষ অসাধ্যকে সাধন করতে সক্ষম হচ্ছে। মানুষ মস্তিষ্ক দিয়ে যে জটিল সমস্যার সহজ সমাধান দিতে পারছে না, কম্পিউটার তার সমাধান দিচ্ছে অতি দ্রুত।

কম্পিউটার কী : 

‘কম্পিউটার' শব্দটির বাংলা প্রতিশব্দ ‘গণকযন্ত্র'। এর মাধ্যমে অল্প সময়ে বড় বড় অঙ্কের যোগ-বিয়োগ, গুণ-ভাগ এবং বহুবিধ সমস্যার সমাধান অত্যন্ত দ্রুত করে ফেলা যায়। এটি অতি দ্রুত সারা বিশ্বে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কম্পিউটার এখন কেবল অফিস-আদালত, শিল্প-কলকারখানায়, ব্যবসায়-বাণিজ্যে ব্যবহৃত হচ্ছে না, বরং বহু জটিল কর্ম সমাধানে এবং ব্যক্তিগত প্রয়োজনেও খুবই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।

কম্পিউটারের অবকাঠামো :- 

একটি কম্পিউটারের অনেক যন্ত্রাংশ থাকলেও এর গঠনরীতির প্রধান দুটি দিক লক্ষ করা যায়। একটি যান্ত্রিক সরঞ্জাম বা হার্ডওয়্যার, অন্যটি প্রোগ্রাম সম্পর্কিত বা সফটওয়্যার। হার্ডওয়্যারের মধ্যে পড়ে তথ্য সংরক্ষণের স্মৃতি, অভ্যন্তরীণ কাজের জন্য ব্যবহৃত তাত্ত্বিক দিক। তথ্য সংগ্রহের জন্য ইনপুট অংশ, ফলাফল প্রদর্শনের জন্য আউটপুট অংশ এবং সব ধরনের বৈদ্যুতিক বর্তনী। এসব যান্ত্রিক সরঞ্জামের কাজ হলো প্রোগ্রামের সাহায্যে কম্পিউটারকে কর্মক্ষম করে তোলা ।

কম্পিউটার আবিষ্কার :- 

কম্পিউটার একদিনে আবিষ্কৃত হয়নি। এর আবিষ্কারের নেপথ্যে বহু মনীষীর বহু শতাব্দীর সাধনা বিদ্যমান। আধুনিক কম্পিউটারের জনক ব্রিটিশ গণিতবিদ চার্লস ব্যাবেজ। তিনিই ১৮৩৩ সালে প্রথম পাঁচ ভাগে পুরো আধুনিক কম্পিউটারের গঠনতত্ত্ব আবিষ্কার করেন। ব্যাবেজের এ গঠনরীতি অনুসরণ করেই ১৯৪৪ সালে হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় এবং আই বি এম কোম্পানি যৌথভাবে আধুনিক ইলেকট্রনিক্স কম্পিউটার তৈরি শুরু করে। তারপর থেকে যন্ত্রটি দ্রুত পরিবর্তিত হয়ে গঠন ও আকৃতিতে অভিনবত্ব লাভ করে।

আরও পড়ুন :- দৈনন্দিন জীবনে বিজ্ঞান - রচনা : (২০ পয়েন্ট ) | পিডিএফ

কম্পিউটারের জন্ম বিবর্তন :- 

কম্পিউটারের প্রাথমিক ধারণা সৃষ্টি হয় ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক চার্লস ব্যাবেজের একটি গণক যন্ত্র থেকে। ধাতব পদার্থ দিয়ে তিনি তাঁর গণক যন্ত্রটি তৈরি করেন । চার্লস ব্যাবেজ ১৮৩৩ সালে এ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিন নামে যান্ত্রিক কম্পিউটার তৈরির পরিকল্পনা গ্রহণ করেন এবং ইঞ্জিনের নকশা তৈরি করেন। তিনি তাঁর যন্ত্র তৈরির জন্য সরকারি অনুদান লাভ করেন। তাঁর এ্যানালিটিক্যাল ইঞ্জিনের পরিকল্পনায় আধুনিক কম্পিউটারের ধারণা ছিল। 

এজন্য ব্যাবেজকে কম্পিউটারের জনক বলা হয়। তবে তাঁর ধারণা বা পরিকল্পনা কার্যকর হতে সময় লেগেছে এক শতাব্দী। মার্কিন বিজ্ঞানী হাওয়ার্ড আইকেন ১৯৪৬ সালে আবিষ্কার করেন বর্তমানের স্বয়ংক্রিয় ইলেকট্রনিক্স কম্পিউটার। এজন্য তাঁকে কম্পিউটারের আবিষ্কারক বলা হয় । গঠন ও আকৃতিতে এসেছে বর্তমানকালে অভিনবত্ব। এর বিচরণ ক্ষেত্রে এসেছে ব্যাপকতা ৷

কম্পিউটারের প্রকারভেদ :- 

কার্যপ্রণালির ওপর ভিত্তি করে কম্পিউটারকে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যেমন- ১. অ্যানালগ কম্পিউটার, ২. ডিজিটাল কম্পিউটার ও ৩. হাইব্রিড কম্পিউটার।

কম্পিউটারের শ্রেণিবিভাগ :- 

কম্পিউটারের ভিতরের গঠন, আকৃতি, কাজের গতি ইত্যাদি বিচারে একে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা যায়। ভাগগুলো হলো- সুপার কম্পিউটার, মেইন ফ্রেম কম্পিউটার, মিনি কম্পিউটার ও মাইক্রো কম্পিউটার। গঠন ও আকৃতিগত পার্থক্য থাকলেও এদের মধ্যে মূলনীতিতে বিশেষ পার্থক্য নেই বললেই চলে। কম্পিউটার ছোট বড় দু আকারেরই হয়ে থাকে।

কম্পিউটার নেটওয়ার্ক :- 

তথ্য আদান-প্রদানের জন্য বিভিন্ন কম্পিউটার জালিকার ন্যায় একে অপরের সাথে যুক্ত থাকে, তাকেই কম্পিউটার নেটওয়ার্ক বলে। নেটওয়ার্ককে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। যথা -

১. লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক,

২. ওয়াইড এরিয়া নেটওয়ার্ক ।

আরও পড়ুন :- কম্পিউটার - প্রবন্ধ রচনা : ৬ষ্ঠ, ৭ম ও ৮ম শ্রেণী | PDF

ইন্টারনেট :-

ইন্টারনেট হলো নেটওয়ার্কের নেটওয়ার্ক। আন্তর্জাতিক স্তরে লাখ লাখ বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান কম্পিউটারের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে এ নেটওয়ার্কে। ইন্টারনেটে যোগ দিতে দরকার একটি ফোন, একটি পিসি, একটি মডেম, সফটওয়্যার এবং ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার । ইন্টারনেটের সুবিধাসমূহ-

ক. ই-মেইল ।

গ. ফাইল ট্রান্সফার ।

খ. ইন্টারনেট সার্ভিস ফোরাম ।

ঘ. অন্য প্রোগ্রাম চালনা করা।

ঙ. দূরবর্তী কারো সাথে কথা বলা । 

চ. বিশ্বের তথ্য ভাণ্ডার থেকে তথ্য আহরণ করা ।

কম্পিউটারের অংশসমূহ :-

সাধারণত কম্পিউটারের পাঁচটি অংশ থাকে। যেমন- স্টোর বা ভাণ্ডার, মিল, কন্ট্রোল, ইনপুট এবং আউটপুট। স্টোর, মিল ও কন্ট্রোলকে একত্রে বলা হয় কম্পিউটারের মগজ। ইনপুট তথ্য ও নির্দেশ গ্রহণ করে এবং আউটপুট গণনার ফলাফল প্রকাশ করে। বিভিন্ন প্রোগ্রাম তৈরি করে কম্পিউটারকে নির্দেশ দানের ব্যবস্থা করে ।

কম্পিউটারের বৈশিষ্ট্য :-

কম্পিউটার হচ্ছে কাজের মগজ। এর ডিস্ক নামক একটি স্মৃতি ভাণ্ডার আছে। স্মৃতি ভাণ্ডারে কাজ ও কাজের পদ্ধতি দেয়া থাকবে। কাজকে বলা হয় তথ্য আর পদ্ধতিকে বলা হয় প্রোগ্রাম। কম্পিউটারের মূল বৈশিষ্ট্য হচ্ছে তথ্য ও প্রোগ্রাম বদলে দিয়ে অন্য কাজ করা যায়। 

কম্পিউটারের সুষ্ঠু প্রয়োগ পদ্ধতি চারটি বিষয়ের ওপর নির্ভর করে। যথা- অত্যন্ত দ্রুত গণনা করার ক্ষমতা, বিপুল সংখ্যক তথ্য সংঘবদ্ধ করার ক্ষমতা, ভ্রম শূন্যতা এবং তথ্য ও প্রোগ্রাম অনুযায়ী কাজ করার ক্ষমতা। কম্পিউটারের কাজ করার গতি হিসাব করা হয় ন্যানো সেকেন্ডে। 

ন্যানো সেকেন্ড বলা হয় এক সেকেন্ডের একশত কোটি ভাগের এক ভাগ সময়কে। একটি সাধারণ যোগ করতে কম্পিউটারের সময় লাগে ৫০ ন্যানো সেকেন্ড। অতএব কম্পিউটার এক সেকেন্ডে ঐ রকম ২ কোটি যোগ করতে পারে।

কম্পিউটারের অবদান :- 

কম্পিউটার মানুষকে তাদের কাজের ক্রমধারায় যুগ যুগ সময় এগিয়ে দিয়েছে। যে কাজ মানুষকে দিনের পর দিন করতে হতো, কম্পিউটার তা নির্ভুলভাবে এক নিমেষেই করে দিচ্ছে। ফলে সময় ও শ্রম দু'ই বাঁচানো যাচ্ছে। আজকের যুগে সময় সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ। কারণ মানব জীবন সীমিত। কম্পিউটার মানুষের সীমিত সময়ে বেশি কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে। সুতরাং কম্পিউটার হলো সময় বাঁচানোর ও উন্নয়নের গতিবেগসম্পন্ন যন্ত্র।

আরও পড়ুন :- কম্পিউটার : বাংলা প্রবন্ধ রচনা - Class 8, 9 এবং SSC | PDF

বাংলাদেশে কম্পিউটার :-

বাংলাদেশে আশির দশকের শেষ দিকে কম্পিউটার ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। অফিস ব্যবস্থাপনা, রেকর্ড সংরক্ষণ, প্রকাশনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ গুরুত্বপূর্ণ সব প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। কম্পিউটারের গুরুত্ব অনুধাবন করে মফস্বলের স্কুল, কলেজগুলোতেও এখন তা সিলেবাসভুক্ত করা হয়েছে।

কম্পিউটার প্রোগ্রাম :-

কম্পিউটার বিভিন্ন গাণিতিক সমস্যা সমাধানের জন্য অথবা এর মেমোরিতে একত্রে অনেক কার্য নির্দেশের জন্য তালিকা সংরক্ষিত হয়। কার্য নির্দেশের এই সমষ্টিকে বলা হয় কম্পিউটার প্রোগ্রাম। এই কার্য নির্দেশগুলো বোঝানোর জন্য প্রয়োজন কম্পিউটার ভাষার। ইলেকট্রনিক সার্কিটের সমন্বয়ে গঠিত কম্পিউটারের অভ্যন্তরীণ কার্য নির্বাহের জন্য বাইনারি পদ্ধতি ব্যবহৃত হয়। একে বলা হয় মেশিনের ভাষা ।

আধুনিক সভ্যতা ও কম্পিউটার :-

আধুনিক সভ্যতা ও কম্পিউটার একে অন্যের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে জড়িত। এটি ব্যবসায়-বাণিজ্যের সাধারণ হিসাব থেকে শুরু করে মহাশূন্য গবেষণার কাজে লাগছে। প্রযুক্তিবিদ্যা, মহাকাশ বিজ্ঞান, কৃষি, রসায়ন, চিকিৎসা, পদার্থবিদ্যা, ইত্যাদি বিদ্যায় কম্পিউটার কাজ করে যাচ্ছে। মানুষের চিন্তাধারায় পরিকল্পনা বিশ্লেষণ, নিরীক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদি ক্ষেত্রে বৈপ্লবিক পরিবর্তন রাখছে কম্পিউটার।

কম্পিউটার দিয়ে খেলাধুলা, কবিতা লেখা, ভাষা অনুবাদ করা, সুরের মূর্ছনা তৈরি ইত্যাদি কাজ করা হচ্ছে। পরিকল্পনা তৈরি, প্রকল্প বিশ্লেষণ, বন্যা নিয়ন্ত্রণের উপাত্ত বিশ্লেষণ ও পরিকল্পনা প্রণয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণ, বাজেট প্রণয়ন, অর্থনৈতিক, সামাজিক, কারিগরি ও শিল্প-বাণিজ্য সংক্রান্ত যে কোনো সমস্যার সমাধান দেয় কম্পিউটার।

কম্পিউটারের ব্যবহার :- 

কম্পিউটার মানুষের দৈনন্দিন জীবন অনেক সহজ করে দিয়েছে। এটি রোগীর রোগ, ব্যবসায়ের লাভ-লোকসান বলে দেয়, যানবাহনের চলাচল নিয়ন্ত্রণ করে। প্লেন ও ট্রেনের আসন সংরক্ষণ করে। কম্পিউটার আজ স্থায়ী আসন করে নিয়েছে বিভিন্ন ব্যাংক, বিমা, টেলিযোগাযোগ, রিসার্চ এন্ড অ্যানালাইসিস, পোস্টাল সার্ভিস, প্রকাশনাসহ প্রায় সব ধরনের প্রতিষ্ঠানে। 

ই-মেইল, ইন্টারনেট, রোবট প্রভৃতি অত্যাধুনিক প্রযুক্তির মূলে রয়েছে কম্পিউটার। এছাড়া কম্পিউটারের মাধ্যমে আর্ট ডিজাইন, ভাষা অনুবাদ, সুরের মূর্ছনা সৃষ্টি প্রভৃতি সৃজনশীল কাজও করা সম্ভব। কম্পিউটার VIRUS অনেক সময় কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করে, এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হয়।

আরও পড়ুন :- মানব কল্যাণে বিজ্ঞান - বাংলা  রচনা ২০ পয়েন্ট - PDF

কম্পিউটারের কর্মক্ষেত্র :- 

আধুনিক কম্পিউটারকে এককথায় সব কাজের কাজি বলা চলে। বলতে গেলে এমন কোনো কাজ নেই যা কম্পিউটার করছে না। কম্পিউটার কোটি কোটি সংখ্যার জটিল অঙ্ক নিমেষেই সমাধান করছে। তা কলকারখানার উৎপাদন ও বণ্টন নিয়ন্ত্রণ করছে। 

ব্যাংক, বিমা কিংবা যোগাযোগ মাধ্যম অথবা গবেষণা প্রতিষ্ঠান- সব জায়গাতেই এখন কম্পিউটার ব্যবহৃত হচ্ছে। চিকিৎসাক্ষেত্রে কম্পিউটার একদিকে অস্ত্রোপচারে অংশ নিচ্ছে, অন্যদিকে তা রোগীর শারীরিক অবস্থা নিরূপণ করে রোগ নির্ণয়ে ভূমিকা রাখছে।

বেকারদের জন্য কম্পিউটার :- 

একজন বেকার যুবক কম্পিউটার শিখে সহজেই তার বেকারত্ব ঘুচাতে পারে। কম্পিউটারে দক্ষতা অর্জন করলে নিম্নলিখিত পদগুলোতে চাকরি পাওয়া যায়। যেমন- ১. ডাটা এন্ট্রি অপারেটর, ২. কম্পোজ অপারেটর, ৩. অপারেটর, ৪. ডিজাইনার, ৫. ইনস্ট্রাকটর, ৬. শিক্ষক, ৭. হার্ডওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, ৮. প্রোগ্রামার, ৯. সিস্টেম এনালিস্ট।

কম্পিউটারের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া :-

কম্পিউটার যে সভ্যতাকে গতিশীল করার যন্ত্র তাতে কোনো সন্দেহ নেই। কিন্তু কম্পিউটারের কোনো অলসতা বা ক্লান্তি নেই'। ফলে সে দুনিয়ার সব কাজ একসাথে করে ফেলতে পারে। মানুষের স্থলে যদি একটি কম্পিউটারই যথেষ্ট হয়, তাহলে সে কম্পিউটার দশ জনকে বেকার করে ফেলল। 

ব্যাংক, বীমা, অফিস-আদালতে কম্পিউটারের ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। যদিও কম্পিউটার পরিচালনার জন্য কিছু লোক দরকার হয়, তবু এর কারণে বেকার হয়ে পড়ে অনেক বেশি। এজন্য অনেকে কম্পিউটারকে শ্রমিক উৎখাতের যন্ত্র বলেন ।

উপসংহার :- 

কম্পিউটার সমগ্র বিশ্বকে মানুষের হাতের মুঠোয় এনে দিয়েছে। একটি বোতাম টিপলেই এখন মঙ্গল গ্রহের সংবাদও আমরা পর্দায় দেখতে পাচ্ছি। কম্পিউটার আধুনিক বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর অবদান। এর সুফল সবার কাছে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শিক্ষাগার ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url