রচনা : শৃঙ্খলাবোধ / নিয়মানুবর্তিতা ( ২০ পয়েন্ট )

উপস্থাপনা :- 

নিয়ম-শৃঙ্খলা পরস্পর নিবিড়ভাবে জড়িত। কেবল পৃথিবীই নয়, সমগ্র বিশ্ব প্রকৃতিই একটা কঠোর নিয়মের বন্ধনে আবদ্ধ। গ্রহ-তারা নির্দিষ্ট নিয়মে ঘুরছে, ঋতুচক্র নির্দিষ্ট নিয়মে আবর্তিত হচ্ছে, সূর্যকিরণ সঠিক নিয়মে পতিত হচ্ছে। মহাশূন্যের জানা-অজানা গ্রহ-নক্ষত্র থেকে শুরু করে মাটির পৃথিবীর ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র কীট-পতঙ্গাদি পর্যন্ত এক নির্দিষ্ট নিয়মের অধীন। তাই মানুষকেও একটি সুশৃঙ্খল নিয়মের মাধ্যমে জীবন পরিচালনা করতে হবে। অন্যথা জীবন হবে দুর্বিষহ।

নিয়মানুবর্তিতার সংজ্ঞা :- 

মানুষ সামাজিক জীব বলে সমাজবদ্ধ হয়ে বসবাস করে। সমাজবদ্ধভাবে বসবাস করতে গেলে অবশ্যই কিছু নিয়ম-কানুন মেনে চলতে হয়। নিয়মের কারণেই মানুষ সমাজ সৃষ্টি করে একত্রে বসবাস করতে অভ্যস্ত। সমাজ জীবনের মতো ব্যক্তি জীবনেও নিয়মানুবর্তিতা প্রয়োজন। জগতের প্রতিটি কাজের জন্যই রয়েছে সুনির্দিষ্ট নিয়ম-কানুন। এ নিয়মকেই বলা হয় নিয়মানুবর্তিতা, শৃঙ্খলা । নিয়ম মেনে সুশৃঙ্খলভাবে কাজ করাকেই নিয়মানুবর্তিতা বলে ।

নিয়মানুবর্তিতার শ্রেণিবিভাগ :- 

জীবনে শৃঙ্খলাবোধ তথা নিয়মানুবর্তিতাকে প্রধানত দু'ভাগে ভাগ করা যায়। দেহ গঠনে নিয়মানুবর্তিতা এবং মনোগঠনে নিয়মানুবর্তিতা। সুস্থ জীবনে দুটিই সকলের কাম্য। দেহকে সুস্থ রাখার জন্য আহার-নিদ্রা ও কাজকর্মের মধ্যে নিয়মানুবর্তিতা একান্ত প্রয়োজন। মনোগঠনের দিক থেকে আমাদের জীবনে নিয়মানুবর্তিতার অনেক প্রয়োজন আছে। মানুষ হিসেবে শুধু আমাদের নিজেদের প্রতি নয়, পরিবারের প্রতি, সমাজের প্রতি এবং রাষ্ট্রের প্রতিও আমাদের দায়িত্ববোধ আছে। এ দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য মনের বিকাশ দরকার।

প্রাকৃতিক নিয়ম :- 

বস্তুজগতের প্রতিটি বস্তুই স্বকীয় ধর্ম ও বৈশিষ্ট্যের অধিকারী। প্রাণিজগতের আহার, বাসস্থান এবং ভারসাম্যের নিশ্চয়তা বিধান করছে এ নিয়ম। পশুপাখিও এ নিয়মের বহির্ভূত নয়। প্রতিটি প্রাণীর কর্মকাণ্ড এমন একটি নিয়ম দ্বারা নিয়ন্ত্রিত, যার দিকে দৃষ্টিপাত করলে আমাদের রীতিমতো অবাক হতে হয়। 

জন্ম থেকেই আমরা এসব নিয়মের মধ্যে আবদ্ধ। এটাই আমাদের স্বাভাবিকতা। কিন্তু সচেতনতার অভাবে এ স্বাভাবিকতাকে অতিক্রম করে আমরা ভয়ানক প্রতিকূল পরিবেশ সৃষ্টি করে জীবনে অমঙ্গল ডেকে আনি। এ অনিয়মের বিরূপ ফলাফল আমাদের নিয়ম সম্পর্কে সচেতন করে।

আরও পড়ুন :- রচনা : শৃঙ্খলাবোধ - বাংলা প্রবন্ধ রচনা

নিয়মানুবর্তিতা ও জীবনের গতি :- 

আমাদের জীবন বয়ে চলে সম্মুখ গতিতে। পেছনে ফিরে যাওয়ার কোনো পথ খোলা নেই। কেবলই সামনে চলা । আজ যে দিনটি চলে গেল তা আর কোনোদিনই ফিরে আসবে না। তাই জীবনের এ গতিতে যদি শৃঙ্খলা বা নিয়মানুবর্তিতা না থাকে, তাহলে জীবন সুন্দর ও সার্থক হয় না।

নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রয়োজনীয়তা :- 

মানবজীবনে নিয়ম-শৃঙ্খলার প্রয়োজনীয়তা অপরিসীম। একটি জাতির উন্নতির মূলে রয়েছে শৃঙ্খলাবোধ। শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা ছাড়া কোনো কাজই সঠিকভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব নয়। তাই জীবনের সকল ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা রক্ষা করা একান্ত কর্তব্য। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর বলেছেন, “যে সমাজে শৃঙ্খলা আছে, ঐক্যের বিধান আছে, সকলের স্বতন্ত্র স্থান ও অধিকার আছে, সেই সমাজেই পরকে আপন করিয়া লওয়া সহজ।'

ব্যক্তিজীবনে নিয়মানুবর্তিতা :- 

ব্যক্তিজীবনে নিয়ম-শৃঙ্খলার গুরুত্ব অপরিসীম। উন্নত জীবনযাপনের জন্য শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা অতি প্রয়োজন। স্বাস্থ্যরক্ষার নিয়ম না মানলে দেহ রোগাক্রান্ত হতে পারে। নিয়ম-কানুন মেনে চললে সব কাজে সফলতা আসে, সুখ-শান্তি বজায় থাকে।

সামাজিক জীবনে শৃঙ্খলা :- 

শৈশব থেকে মানুষকে সমাজে বিচরণ করতে হয়, গ্রহণ করতে হয় নানা সামাজিক দায়িত্ব । কিন্তু সমাজের প্রতিটি মানুষ যদি খেয়াল-খুশিমতো যথেচ্ছাচার শুরু করে, তাহলে পুরো সমাজ উচ্ছৃঙ্খলতার উন্মাদাগারে পরিণত হবে। সৌরজগতের নিয়মের সামান্যতম ব্যতিক্রম যেমন সর্বধ্বংসী বিপর্যয় ঘটাতে পারে, তেমনি নিয়মের ব্যতিক্রমে সমগ্র মানবজীবন ব্যর্থতায় পর্যবসিত হয়।

আরও পড়ুন :- নিয়মানুবর্তিতা- বাংলা রচনা - Sikkhagar

বিদ্যালয়ে নিয়ম-শৃঙ্খলা :- 

বিদ্যালয়ে প্রত্যেক ছাত্র-ছাত্রীকে বেশ কিছু নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলতে হয়। যেমন- ক্লাস শুরু হওয়ার কিছু আগে ছাত্রছাত্রীদের বিদ্যালয়ে পৌঁছতে হয়। নির্ধারিত পোশাক পরে বিদ্যালয়ে আসতে হয়। নিজের ইচ্ছেমতো পোশাক পরে বিদ্যালয়ে আসা যায় না ।

ছাত্রজীবনে নিয়ম-শৃঙ্খলা :- 

মানবজীবনে শৃঙ্খলা, নিয়মানুবর্তিতা একদিনে গড়ে ওঠে না। ছাত্রজীবনই নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষার উপযুক্ত সময়। প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে ওঠা, নিয়মিত পড়ালেখা তৈরি করা, প্রতিদিন বিদ্যালয়ে গমন, সময়মতো খেলাধুলা করা- এসবই নিয়ম-শৃঙ্খলার অন্তর্গত। যে ছাত্রছাত্রী তার বিদ্যালয় জীবনে নিয়ম-শৃঙ্খলা মেনে চলে, বড় হয়েও সে নিয়মানুবর্তী হয়ে থাকে। তাই ছাত্রজীবনেই নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা করা উচিত।

নিয়মানুবর্তিতা শেখার ক্ষেত্র ও সময় :- 

নিয়মানুবর্তিতা শেখার উপযুক্ত ক্ষেত্র হচ্ছে পরিবার। শিশুকাল থেকেই সন্তানাদিকে নিয়মমতো প্রতিটি কাজে অভ্যস্ত করে তোলা অভিভাবকের অপরিহার্য কর্তব্য। কারণ একদিনে নিয়মানুবর্তিতা শেখা যায় না। সকালে সময়মতো ঘুম থেকে ওঠা, হাত-মুখ ধোয়া, পড়তে বসা, নাশতা করা, স্কুলে যাওয়া, খেলাধুলা ইত্যাদি প্রত্যেক কাজ নিয়মমতো করা দরকার। 

খেলার মাঠে নিয়ম :- 

খেলার মাঠে নিয়ম মেনে চলা অবশ্যই প্রত্যেক খেলোয়াড়ের অপরিহার্য দায়িত্ব। খেলার মাঠে দলনেতা এবং রেফারীর নির্দেশ না মানলে ভাল খেলোয়াড় হওয়া যায় না ।

আরও পড়ুন :- সততা অথবা সত্যবাদিতা - রচনা : ক্লাস 6 , 7 , 8 , 9, 10 | PDF

জীবনের সকলক্ষেত্রে নিয়ম :- 

জীবনের সকল ক্ষেত্রে, সমাজ জীবনে, পারিবারিক জীবনে, কল-কারখানায়, দোকানে, রাস্তাঘাটে, চলাচলে, গাড়ী চালাতে নিয়মানুবর্তিতা ও শৃংখলা রক্ষা করা একান্ত প্রয়োজন। নিয়ম-শৃঙ্খলার অভাবে যেমন কোন প্রতিষ্ঠানই গড়ে উঠতে পারে না, তেমনি এর অভাবে অনেক দিনের সুপ্রতিষ্ঠানও ধ্বংস হয়ে যায়। যুদ্ধ ক্ষেত্রে নিয়মের প্রয়োজন তীব্রভাবে অনুভূত হয় । যে সৈন্যদল শৃংখলা রক্ষা করে না তাদের পরাজয় নিশ্চিত। শ্রেণীকক্ষে সকল ছাত্রকে শ্রেণী মনিটরকে মেনে চলতে হয়।

পারিবারিক জীবনে শৃঙ্খলা :- 

পরিবার সমাজের এক একটি ক্ষুদ্র পক্তি। পারিবারিক শৃঙ্খলা বা নিয়মানুবর্তিতার মধ্যে দিয়ে সামাজিক শৃঙ্খলা আসে তাই পরিবারের সদস্য হিসেবে প্রতিটি মানুষের উচিত পারিবারিক নীতিকে গুরুত্ব দেওয়া, যা মানুষের জীবনে সামগ্রিকভাবে শৃঙ্খলা এনে দেয় ।

শৃঙ্খলা ও মানবসমাজের উন্নতি :- 

মানবসভ্যতার বর্তমান চরম বিকাশের মূলেও আছে মানুষের সুশৃঙ্খল ও সুসংহত কর্মোদ্যোগ। যেখানে শৃঙ্খলা নেই, সেখানে শ্রী নেই, কল্যাণ নেই, আনন্দ নেই, শান্তি নেই। সেই নিরানন্দ, কল্যাণ শ্রীহীন, সুষমাহীন অশান্ত অরাজকতায় ঘনিয়ে আসে মানবজীবনের অন্তিমলগ্ন। শৃঙ্খলাবদ্ধ, নিয়মানুবর্তী, সুসংহত সৈন্যবাহিনীই যুদ্ধে বিজয় অর্জন করতে পারে। 

তাই তো সুশৃঙ্খল জাতির ভাগ্যে জোটে সাফল্যের জয়টিকা এবং উচ্ছৃঙ্খল জাতির ভাগ্যে জোটে পরাজয়ের দুঃসহ গ্লানি। আমাদের অর্থনৈতিক জীবনকেও সুষ্ঠুভাবে চালনার জন্য প্রয়োজন অর্থনৈতিক শৃঙ্খলাবোধ। পরিমিত ব্যয় এবং আয় ও ব্যয়ের মধ্যে সমতা না থাকলে শৃঙ্খলাবোধহীন বেহিসেবী মানুষ জীবনে নানা দুঃখ-দুর্দশার সম্মুখীন হয় ।

বর্তমানে ছাত্র-উচ্ছৃঙ্খলতার কারণ :- 

সম্প্রতি ছাত্রসমাজের উচ্ছৃঙ্খলতায় সকলেই উদ্বিগ্ন। তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার কলঙ্কিত স্বাক্ষর পড়ে পরীক্ষাগৃহে, বাসে, রেলে, পথেঘাটে, সমাজজীবনের অলিতে গলিতে। ছাত্রসমাজ অগ্রযাত্রীর দল। তারা স্বভাবতই অগ্রসর হতে চায়, চায় কর্মব্যস্ততা। কিন্তু যেখানে অগ্রসরণের পথ রুদ্ধ, সেখানে কর্মহীনতার বিশাল অবকাশ মানসক্ষেত্রকে শয়তানের কারখানায় পরিণত করে। 

দেশব্যাপী আশাহীনতা, কুরুচি ও দুর্নীতিপূর্ণ চলচ্চিত্র প্রদর্শনী ছাত্রসমাজকে উচ্ছৃঙ্খলতার পথে পরিচালিত করে। ছাত্রসমাজে যদি শৃঙ্খলাবোধ পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করতে হয়, তবে তাদের উচ্ছৃঙ্খলতার মূল কারণগুলোকে খুঁজে নিয়ে তা বিলুপ্ত করতে হবে। ছাত্রসমাজেরও মনে রাখতে হবে যে, ছাত্রজীবনই জীবন গঠনের প্রকৃত সময়, জীবনের প্রস্তুতির কাল। এসময় থেকে সুশৃঙ্খল জীবন যাপন না করলে ভবিষ্যতে সাফল্য আশা করা যায় না ।

আরও পড়ুন :- ছাত্র জীবন - বাংলা রচনা [ Class - 6, 7, 8 ,9 ,10] 

শৃঙ্খলার গুরুত্ব :- 

ব্যক্তিগত, দৈহিক, নৈতিক, মানসিক, আধ্যাত্মিক সর্বক্ষেত্রে উন্নতির জন্য শৃঙ্খলাবদ্ধ জীবন যাপন আবশ্যক। স্বাস্থ্য রক্ষায় নিয়মভঙ্গ করলে দেহ রোগাক্রান্ত হতে বাধ্য। আত্মসংযমে অসমর্থ হলে মানুষ ইন্দ্রিয়ের দাস হয়ে পড়বেই। এর ফলে নৈতিক চরিত্রের অবনতি অনিবার্য। বিক্ষিপ্ত মনকে যদি শৃঙ্খলার শাসনে বাঁধতে পারা না যায়, তবে বিদ্যাচর্চা করা কীভাবে সম্ভব? কাজেই, জীবনের সর্বক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বা নিয়মানুবর্তিতার চর্চা করতে হবে। প্রয়োজনীয় বিধি-বিধান না মানলে সুন্দর জীবন গড়ে তোলা সম্ভব নয়। কল্যাণমুখী সুন্দর জীবন গড়ে তোলার ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা বা নিয়মানুবর্তিতার গুরুত্ব অপরিসীম ।

বিধি-বিধান এবং পরিবেশ :- 

ব্যক্তি নিয়েই সমষ্টি। ব্যক্তির সুষ্ঠু আত্মবিকাশেই সমষ্টির বিকাশ। কেউ কেউ মনে করে, সে পৃথিবীতে জন্মগ্রহণ করেছে ইচ্ছেমতো আচরণ করার জন্য। এ ধারণা যারা পোষণ করে তাদের সুষ্ঠু বিকাশ তো দূরের কথা অচিরেই তারা বিপথগামী হয় এবং তাদের জীবনে করুণ পরিণতি নেমে আসে। এই পরিবেশের রয়েছে কতকগুলো বিধি-বিধান। সে বিধি-নিষেধের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করে চলতে হবে। এ সামঞ্জস্যের মধ্যে শিক্ষা লাভ হবে । মানবচরিত্রের বিকাশ ঘটবে।

নিয়মের রাজ্যে নিয়ম মানা :- 

প্রকৃতির রাজ্য নিয়মের রাজ্য। সর্বক্ষেত্রেই রয়েছে নিয়মশৃঙ্খলা। সূর্য প্রতিদিন পূর্ব আকাশে দেখা যায়। সন্ধ্যায় পশ্চিম আকাশে অস্ত যায়। প্রকৃতির নিয়মেই লৌহখণ্ড জলে ডুবে যায় । আবার লোহা দিয়ে তৈরি বিরাট জাহাজ জলে ভাসে।

সুতরাং প্রকৃতির এই রাজ্যের অধিবাসী হয়ে মানুষকেও কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। আর নিয়ম না মানলে অর্থাৎ স্বেচ্ছাচারিতা করলে নিজের অকল্যাণ হবে।

উপসংহার :- 

বিশ্বে যে জাতি যত বেশি সুশৃঙ্খল, সে জাতি তত বেশি সমৃদ্ধ। নিয়মানুবর্তিতা ব্যক্তি, সমাজ ও জাতীয় জীবনে সফলতা আনে। শৃঙ্খলা-নিমানুবর্তিতা না থাকলে জীবন ও জগতের ধ্বংস অনিবার্য। আমাদের জীবনের সার্বিক উন্নতির জন্য শৃঙ্খলা তথা নিয়মানুবর্তিতার কোনো বিকল্প নেই।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

শিক্ষাগার ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url